শিক্ষা ডেস্ক
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ সম্পর্কিত অফিস আদেশ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রাজিবুল আলম স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টারস অফ স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলাইজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এর সেকশন ১৪(১)-এর বিধান অনুসারে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। নিয়োগ কার্যকর থাকবে যতদিন শিক্ষামন্ত্রী নিজে পদটি অলংকৃত রাখেন অথবা যতদিন তিনি কর্মকর্তাকে একান্ত সচিব হিসেবে বহাল রাখার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, এই দায়িত্ব পালনের সঙ্গে প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে বিধি অনুযায়ী দায়িত্বভার ভাতা প্রদান করা হবে। আদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বে অভিজ্ঞ। তার নিয়োগ শিক্ষামন্ত্রীকে সরাসরি সহায়তা এবং মন্ত্রণালয়ের নীতি ও কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পদোন্নতির মাধ্যমে প্রফেসর সোহেলের প্রশাসনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা শিক্ষামন্ত্রীর অফিসের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে, মাউশি অধিদপ্তরের কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা এবং বিভিন্ন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের নীতি নির্ধারণ, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও পরামর্শমূলক দায়িত্ব পালন করেন। এ ধরনের পদোন্নতি সাধারণত কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা এবং আগের দায়িত্বের সাফল্যের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, প্রফেসর সোহেলের নিয়োগ শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ দেবে, যা শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও কার্যকর করতে সহায়ক হবে। এছাড়া, এটি মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালনা কাঠামো এবং উচ্চশিক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সমন্বয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এভাবে শিক্ষামন্ত্রী নিজ অফিসে একান্ত সচিব নিযুক্ত করলে মন্ত্রণালয়ের নীতি ও কার্যক্রমের সমন্বয়, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক দক্ষতার উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


