ফারজানা শারমিনের প্রথম নাটোর সফর শুরু

ফারজানা শারমিনের প্রথম নাটোর সফর শুরু

জাতীয় ডেস্ক

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনপুতুল প্রথমবারের মতো তার নির্বাচনী জেলা নাটোরে সরকারি সফরে পৌঁছেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় তিনি নাটোর সার্কিট হাউসে আগমন করলে জেলা পুলিশ তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রী শনিবার থেকে রোববার (১ মার্চ) পর্যন্ত দুই দিনের সরকারি সফরে নাটোরে অবস্থান করবেন। তার সফরের মূল উদ্দেশ্য স্থানীয় উন্নয়ন ও সরকারি কার্যক্রমের প্রগতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী ভোর ৫টায় ঢাকার বনশ্রী থেকে সড়ক পথে নাটোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নাটোরে পৌঁছে তিনি সার্কিট হাউজে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর দুপুর ১টায় তিনি সার্কিট হাউজ থেকে লালপুরে যাত্রা করেন।

লালপুরে পৌঁছানোর পর দুপুর ২টায় গৌরীপুর হাইস্কুল মাঠে প্রতিমন্ত্রীর সম্মানে আয়োজিত গণসংবর্ধনায় অংশ নেন ফারজানা শারমিন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর তিনি লালপুরে নিজের বাসভবনে রাত্রিযাপন করেন।

সফরের দ্বিতীয় দিন, রোববার সকাল ১০টায় প্রতিমন্ত্রী গোপালপুর সুগার মিলের নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। এরপর বেলা ১১টায় তিনি গোপালপুর থেকে বাগাতিপাড়া উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং দুপুর ১টায় সেখানে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রোববার রাত ৮টায় নাটোর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে, রাত ১২টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় নেতারা এই সফরকে নাটোরের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, প্রতিমন্ত্রীর এই প্রথম জেলা সফর স্থানীয়দের মধ্যে উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “ফারজানা শারমিন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার নাটোর সফর করছেন। আশা করা হচ্ছে, তার নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর হবে এবং এলাকার কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা পালন হবে।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিমন্ত্রীর এই সফর স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে সরকারি নীতি ও উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করবে। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার শিক্ষার, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

ফারজানা শারমিনের প্রথম জেলা সফর স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সরকারি কার্যক্রম এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে সরাসরি মতবিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ