ঈদ ঘিরে চাঙ্গা অর্থনীতি
অর্থ বাণিজ্য

ঈদ ঘিরে চাঙ্গা অর্থনীতি

ঈদ সামনে রেখে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের অর্থনীতি। বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ছে। এক্ষেত্রে অর্থের বড় জোগান আসছে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের বোনাস, গতিশীল অভ্যন্তরীণ বাজার, জাকাত ও ফিতরা থেকে। এ ছাড়াও অর্থের অন্যতম একটি উৎস রেমিট্যান্স (প্রবাসীদের…

সৌদিতে ২১৫ কোটি টাকা গেছে হুন্ডিতে
অর্থ বাণিজ্য

সৌদিতে ২১৫ কোটি টাকা গেছে হুন্ডিতে

ঢাকার সৌদি দূতাবাস থেকে ঘুষের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশেও তদন্ত শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এ তদন্তে নেমেছে। এরই মধ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রেপ্তার বাংলাদেশিদের অর্থ-সম্পদের বিস্তারিত…

ফের বেড়েছে চিনি-ব্রয়লার মুরগির দাম
অর্থ বাণিজ্য

ফের বেড়েছে চিনি-ব্রয়লার মুরগির দাম

কিছুটা কমার পর রাজধানীর বাজারগুলোতে আবার বেড়েছে চিনি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। একই সঙ্গে বেড়েছে পাম অয়েল, হলুদ ও ধনিয়ার দাম। তবে ময়দা, খোলা সয়াবিন তেল, রসুন, এলাচ ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান…

সবজির চড়া দামে অস্বস্তি।
অর্থ বাণিজ্য

সবজির চড়া দামে অস্বস্তি।

নিজস্ব প্রতিবেদক বাজারে গেলে চোখে পড়বে কাঁকরোল। খেতে চাইলে গুনতে হবে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা! আশ্চর্য হলেও বাস্তবতা তাই বলছে। রমজানের মধ্যে খুবই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে সবজির দামে। কোনোভাবেই যেন দাম কমছে না,…

বাংলাদেশের রূপান্তরে এনজিও যুগের পরিসমাপ্তি কি
অর্থ বাণিজ্য জাতীয়

বাংলাদেশের রূপান্তরে এনজিও যুগের পরিসমাপ্তি কি

এনজিও—ননগভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। দেশী-বিদেশী উৎস থেকে পাওয়া তহবিল কাজে লাগিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচি ও প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে থাকে প্রতিষ্ঠানগুলো। স্বাধীনতার পরের কয়েক দশকে দেশের উন্নয়ন অর্থনীতিতে সংস্থাগুলো বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল। কিন্তু গত এক দশকে সংস্থাগুলোয় বিদেশ থেকে তহবিল আসা এক প্রকার বন্ধ হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে কমেছে এনজিওগুলোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা। টিকে থাকতে এখন বাণিজ্যিক রূপান্তরের পথ বেছে নিতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এখন আর তহবিলের জোগান দিতে চাইছে না বিদেশী দাতারা। এছাড়া কভিডকালীন বিপত্তি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতির চলমান দুঃসময়ও এখানে বড় একটি ভূমিকা রেখেছে। স্বাধীনতার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক এনজিও। এগুলোর মধ্যে রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট, কেয়ার, কারিতাসের মতো বিদেশী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এখানে সক্রিয় পাকিস্তান আমল থেকেই। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এনজিওর সংখ্যা ও কার্যক্রম বেড়ে যায়। ১৯৭০ সালের ভোলা সাইক্লোন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সত্তরের দশকের বড় কয়েকটি দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত এবং মানবিক সংকটে পতিত হয় বাংলাদেশ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এখানে কার্যক্রম শুরু করে দেশী-বিদেশী অনেক এনজিও। দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া তহবিলে ভর করে প্রতিষ্ঠানগুলো হাতে নিয়েছিল অনেক কর্মসূচি। আশি ও নব্বইয়ের দশক এমনকি চলতি শতকের শুরুর দশকেও দেশের উন্নয়ন আলোচনার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল এসব প্রতিষ্ঠান। নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে এনজিওগুলোর ভূমিকা বেশ আলোচিত হয়েছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্যার ফজলে হাসান আবেদ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন। ক্ষুদ্রঋণ ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে তাদের তৈরি করা মডেলগুলো হয়ে উঠেছিল পণ্ডিত মহলে আলোচনার বিষয়বস্তু।বিস্তারিত