তালিকা করেই দায় শেষ ♦ আগুনের ঝুঁকিতে ঢাকার ৫৮ মার্কেট ♦ অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি ♦ রাজউকের তালিকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ৬৯১টি ♦ রহস্যজনক নীরবতা অন্য সংস্থাগুলোর ♦ সমন্বয় নেই

তালিকা করেই দায় শেষ ♦ আগুনের ঝুঁকিতে ঢাকার ৫৮ মার্কেট ♦ অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি ♦ রাজউকের তালিকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ৬৯১টি ♦ রহস্যজনক নীরবতা অন্য সংস্থাগুলোর ♦ সমন্বয় নেই

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা হয়। চিঠিও ইস্যু হয়। তবে কোনো ধরনের পরিবর্তন, পরিবর্ধন ছাড়াই চলছে ভবনের ব্যবহার। ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের চিঠি থোরাই কেয়ার করেন ভবন মালিকরা। ফায়ার সার্ভিসের দাবি, তালিকা তৈরির বাইরে কোনো কিছু করার ক্ষমতা নেই সংস্থাটির। অ্যাকশনের বিষয়টি দেখবে রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। তবে ফায়ারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন নগরবিদ এবং ফায়ার এক্সপার্টরা। তারা বলছেন, একটি ভবনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না দেখে কীভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স দিচ্ছে ফায়ার সার্ভিস? কেনই-বা বারবার তালিকা করা হচ্ছে? রহস্যই বা কী? অন্যদিকে রাজউক বলছে, ফায়ারসহ অন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে অ্যাকশনে যাবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাবেক মহাপরিচালক (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নাঈম মো. শহিদুল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত আইন আছে কিন্তু প্রয়োগের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। ভবন নির্মাণের সঙ্গে অনেক সংস্থা রয়েছে। সবাই নিজস্ব লাইসেন্স বা ছাড়পত্র দিচ্ছে। সবাই কাজ করছে কিন্তু সমন্বয়হীনতার বড় অভাব। কোনো ঘটনা ঘটলে এক সংস্থা আরেক সংস্থার ওপর দায় চাপায়।

তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলছি অথচ আইনের যথাযথ প্রয়োগে খুবই দুর্বলতায় আছি। যারা জননিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করেন, তাদের একই ছাদের নিয়ে আসা যায় কি না- প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টা ভাববার সময় এসেছে।বিস্তারিত

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ