দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাতীয় ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস্টার কিম জি-জুন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ ও চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময়ের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে উভয় পক্ষ বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির আদান-প্রদান, নৌ-জাহাজ নির্মাণ বা শিপবিল্ডিং শিল্পে সহযোগিতা, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ এবং উচ্চতর সামরিক শিক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির দেশ হওয়ায়, তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্বের পথ সুগম করবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম দেশের সাথে প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা আরও সুসংহত হবে। বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিরা অংশীদারিত্বের এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ