বিনোদন ও সংস্কৃতি ডেস্ক
দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও খ্যাতনামা পাকিস্তানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম তিন দিনের সফরে রাজধানী ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। নির্ধারিত সময়ে সংগীত পরিবেশনার উদ্দেশ্যে বুধবার দিবাগত রাতে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে দেশের সংগীতানুরাগী ও সাধারণ দর্শকদের মাঝে নতুন করে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে রাজধানীর মাদানী এভিনিউতে ‘মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’ শীর্ষক একটি একক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই বহুল কাঙ্ক্ষিত অনুষ্ঠানটি স্থগিত কিংবা বাতিল হওয়ার বিষয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুঞ্জন ছড়াতে দেখা যায়। কনসার্ট বাতিলের এই সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তা সাধারণ দর্শক ও টিকিটপ্রার্থীদের মাঝে সাময়িক সংশয় ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে আয়োজক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ছড়ানো তথ্যগুলোকে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কনসার্ট ঘিরে প্রচারিত কোনো গুজাবে কান দেওয়ার কারণ নেই। পূর্বনির্ধারিত সময় ও সূচি অনুসরণ করেই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সাথে আয়োজিত হবে। কনসার্ট আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কারিগরি ব্যবস্থাপনা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। উক্ত অনুষ্ঠানে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, রাজধানীর পরিবেশ ও সংগীতপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি চলতি বছরের অন্যতম বৃহত্তম ও আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, আতিফ আসলাম মূলত পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীতশিল্পীদের একজন হলেও গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় তাঁর বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও শ্রোতা রয়েছে। ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্প অর্থাৎ বলিউডে তাঁর গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গান তাকে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের মাঝে সুপরিচিত ও প্রশংসিত করেছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে এসে সংগীত পরিবেশন করে গেছেন তিনি। দীর্ঘদিন পর একক কোনো কনসার্টে তাঁকে সরাসরি মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করতে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শকরা ইতিমধ্যে উক্ত কনসার্টটি উপভোগ করার লক্ষ্যে টিকিট সংগ্রহসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।


