জাতীয় ডেস্ক
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও সংসদীয় ভোটাভুটির মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপরের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থী একক থাকায় সংসদকক্ষে ভোটের প্রয়োজন পড়েনি।
১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। পঞ্চদশ জাতীয় সংসদের ওই নির্বাচনে কয়েকটি দল ভোটদান থেকে বিরত ছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিতব্য এবারের নির্বাচনে ১১-দলীয় জোটের পক্ষে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে এবং তার পক্ষে ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বিএনপি নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও প্রার্থী হিসেবে নির্দিষ্ট কারও নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন। বর্তমান ৩৫০ আসনের সংসদে বিএনপির ২৪৭টি, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি, এনসিপির ৮টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩টি, অন্যান্য দলের ৪টি এবং ৮টি স্বতন্ত্র আসন রয়েছে। সংসদে বিএনপির স্পষ্ট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তিন দশক পর পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতির এই ভোটাভুটি দেশের রাজনৈতিক ধারায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।


