অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পরিকল্পনা মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে। সচিব কমিটি এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করবে অর্থ বিভাগ।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব গ্রেডে সুষম হারে বেতন বৃদ্ধি পাবে না। কাঠামোগত বৈষম্য হ্রাস করতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির অনুপাত তুলনামূলক বেশি রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ খসড়া প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।
খসড়া রূপরেখা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে নবম পে স্কেলের আংশিক প্রয়োগ কার্যকরের কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে ধাপে ধাপে এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে। তবে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ধাপ নির্ধারণ এবং প্রস্তাবনার চূড়ান্ত পরিমার্জনের এখতিয়ার মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত থাকছে।
অপরদিকে, পে স্কেল চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়ায় বিচার বিভাগ সংক্রান্ত আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকারি রাজস্ব ব্যয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার পাশাপাশি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মানে পরিবর্তন আসবে। মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর মূল ধারাগুলো বাস্তবায়িত হবে।


