বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
সুমন মাহমুদ, নিউ ইয়র্ক থেকে. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন নিউ ইয়র্কের পথে রয়েছেন, তখন জ্যাকসন হাইটসে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্লোগানের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাল্টা স্লোগানে সরব থাকতে দেখা গেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাটিতে এ চিত্র দেখা যায়।
নোয়াখালী প্রবাসী সেলিম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউ ইয়র্ক আসছেন, আমরা প্রস্তুত হয়ে আছি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানতে।
“আপনি দেখছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘তারেক রহমান আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, ‘নিউ ইয়র্কে তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের আনন্দ প্রকাশ করছে।”
নিউ ইয়র্ক সিটি শাখা বিএনপি, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদাভাবে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র আগমন উপলক্ষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
শ্রমিক দলের এক নেতা বলেন, “সোমবার দুপুরে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে দুপুর আড়াইটায় জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে অবস্থান নেবে।
“সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউ ইয়র্ক পৌঁছালে আমরা সড়কের এক পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের নেতাকে শুভেচ্ছা জানাব।”
রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী জ্যাকসন হাইটসে সমবেত হয়। তারা ‘এই মুহূর্তে দরকার, আওয়ামী লীগের সরকার’, ‘উন্নয়নের সরকার, শেখ হাসিনার সরকার’প্রভৃতি স্লোগান দিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীরা তাদের অবস্থান জানান দেন।
নিউ ইয়র্কে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলেও কোনো উত্তেজনা দেখা যায়নি। দুই দলই নিজেদের মতো কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।
জ্যাকসন হাইটসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন দেখা গেছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছেন। সন্ধ্যায় তিনি জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।
ছাত্র সংসদ নাকি সমান্তরাল প্রশাসন: ডাকসুর পেছনে আস্কারা কাদের?
৮ দফার বিশ্লেষণ এবং এক দফার রাজনীতি
অপ্রতিমের নির্মম বিদায়: আমাদের নিরাপত্তাহীন ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি
সৌরবিদ্যুৎ কি সত্যিই শতভাগ পরিবেশবান্ধব, নাকি দূষণের রূপান্তর?

