জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ২২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
ঢাকার শাহজালাল ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর এবং শাহজালালের ফরেন পোস্ট অফিসে দুই দিনে চারটি পৃথক অভিযান চালানো হয়েছে।
এসব অভিযানে সোনার বার, বিদেশি মদসহ আমদানি নিষিদ্ধ ক্রিম জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের এসব অভিযানে সোনার বার ও মদ ছাড়াও ১৫৫টি ডার্মাল ফিলার ও স্কিন বুস্টার ইনজেকশন, ১ হাজার ১০৪ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম এবং ২৩টি আমদানি নিষিদ্ধ ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে সিআইআইডি।
তাতে বলা হয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি১৪৮ ফ্লাইটের একজন যাত্রীকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে নজরদারির আওতায় আনা হয়।
আবদুল্লাহ আল নোমান নামের ওই যাত্রী প্রথমে জানিয়েছিলেন তার কাছে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার আছে। পরে তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
জব্দ করা সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৬ হাজার টাকা।
একই দিনে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা পৃথক তৎপরতায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩০ লিটার মদ জন্দ করেন।
বেলা ১১টায় মুম্বাই থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়া এআই২১৮৩ ফ্লাইটের একজন যাত্রীর ব্যাগে পরীক্ষা করে ১৬ লিটার মদ পাওয়া যায়। পাশাপাশি বিমানবন্দরের শৌচাগারে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও সাড়ে ৭ লিটার এবং অপর দুই যাত্রীর কাছ থেকে সাড়ে ৬ লিটার মদ জব্দ করা হয়।
আটক করা মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ টাকা।
এছাড়া শুক্রবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে কলম্বো থেকে আসা শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ইউএল১৮৯ ফ্লাইটের একজন যাত্রীর ব্যাগ 'সন্দেহজনক' হওয়ায় কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তা স্ক্যান ও পরীক্ষা করেন।
মো. রাকিব হোসেনের ব্যাগ থেকে থেকে চার ধরনের মোট ১৫৫টি (১৬১ মিলিলিটার) ডার্মাল ফিলার ও স্কিন বুস্টার ইনজেকশন জব্দ করা হয়।
জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
এসব পণ্য মূলত মুখের বলিরেখা কমানো, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, মুখের গঠন পরিবর্তন এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করার জন্য ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
এদিন ঢাকা বিমানবন্দরের ফরেন পোস্ট অফিসে পরিচালিত অভিযানেও বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করা হয়।
সেখান থেকে ৩৭ কার্টন, মোট ১ হাজার ১০৪ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ গৌরি স্কিন হোয়াইটেনিং ক্রিম জব্দ করা হয়। এছাড়াও ২৩টি আমদানি নিষিদ্ধ ব্যবহৃত কোর আইফাইভ ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
এসব পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫ হাজার টাকা।
মবের জোশ এখন ডিজিটাল, বিচারের সংস্কৃতি কোন যুগে?
শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু, মানসিক স্বাস্থ্য ও আমাদের দায়বদ্ধতা
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: অপরাধের বিবরণ অস্পষ্ট, রাষ্ট্রের দায় কোথায়?
মওদূদী কেন জিন্নাহবিরোধী-১: মুসলমানদের নাকি ইসলামের রাষ্ট্র?

