১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তায় স্টার্টআপ তহবিলের পরিমাণ প্রয়োজনে আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রতিভাবান যুবকদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার স্টার্টআপ তহবিল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশের মেধাবী ও প্রতিভাবান তরুণদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ গড়তে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।
শনিবার রাতে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শাপলা হলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানিয়েছেন বলে তার উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা বলেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধির হাতে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
এছাড়া যুব সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। প্রতিটি সংগঠনকে দুই লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।
উপ প্রেস সচিব বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে।দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলেই প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে। আর তখনই সবার জন্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
পুরস্কার পাওয়াদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘‘আপনাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে যুবকদেরই এগিয়ে আসতে হবে।”
উপ প্রেস সচিব বলেন, ‘‘অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য তরুণ রয়েছেন, যারা কেউ শিক্ষার্থী, কেউবা বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। নিজেদের পড়াশোনা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তারা মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসছেন। মানুষের বিপদে পাশে দাড়াচ্ছেন। তাদের এই উদ্যোগ ও অবদান দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
পদকপ্রাপ্ত তরুণদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যারা আজ এই পুরস্কার পেয়েছেন, তাদের মনে রাখতে হবে, একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যুবসমাজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতায় যারা সাফল্য অর্জন করেন, তাদের অধিকাংশই তরুণ।
‘‘একইভাবে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও হয়তোবা প্রবীণরা তাদের মেধা, বুদ্ধি ও পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু সরাসরি মাঠে থেকে তরুণসমাজই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশের যেকোনো বড় পরিবর্তন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে তরুণদের শক্তি, সাহস, মেধা ও উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই শক্তিকে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।”
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তিনজন তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা নিজেদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে যুব স্বেচ্ছাসেবকেরা অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
তরুণ ও যুবকদের জন্য সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।
ভাইব কোডিং থেকে এজেন্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং
অর্থের বন্দোবস্ত না বদলালে বদলাবে না রাজনীতির বন্দোবস্ত
মবের জোশ এখন ডিজিটাল, বিচারের সংস্কৃতি কোন যুগে?

