টিআইবির অপরাধ সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে ডিএমপির উপাত্তে মিল নেই: কমিশনার

টিআইবির অপরাধ সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে ডিএমপির উপাত্তে মিল নেই: কমিশনার

অপরাধ ডেস্ক

রাজধানী ঢাকায় অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়া সংক্রান্ত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিজস্ব উপাত্ত ও পরিসংখ্যানের কোনো মিল নেই বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। দায়িত্ব গ্রহণের পর গত দুই মাসের মাঠপর্যায়ের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে নগরীতে অপরাধ প্রবণতা কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগ থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার জানান, টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির যে চিত্র উপস্থাপন করেছে, তা পুলিশের সংরক্ষিত নিয়মিত অপরাধ পরিসংখ্যান ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ডিএমপির প্রশাসনিক রেকর্ড ও থানাভিত্তিক হালনাগাদ তথ্যে বিপরীত চিত্র প্রতিফলিত হচ্ছে।

নগরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গৃহীত কৌশলগত পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি জানান, রাজধানীর চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধ প্রতিরোধ ও দ্রুত অপরাধী শনাক্তকরণে নির্ধারিত পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে রাজধানীতে চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টিতে গুরুত্ব আরোপ করেন ডিএমপি প্রধান। তিনি জানান, টানা দায়িত্ব পালনের কারণে তৈরি হওয়া পেশাগত চাপ হ্রাস করা এবং পুলিশ সদস্যদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার আহ্বান জানান, বাহিনীর কোনো সদস্য ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা পেশাগত কারণে মানসিক চাপে থাকলে তা গোপন না রেখে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অবহিত করা উচিত, যাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরামর্শ বা কাউন্সেলিং সহায়তা নিশ্চিত করা যায়।

আইন আদালত শীর্ষ সংবাদ