জাতীয় ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক চর্চার মধ্যেই চিকিৎসা সংক্রান্ত সফর সংক্ষিপ্ত করে থাইল্যান্ড থেকে ঢাকায় ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর সোয়া ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগেই তিনি ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন। স্পিকারের এই আগাম প্রত্যাবর্তন কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেকোনো সময় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন এবং পদত্যাগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাঁর বিদেশে যাওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া বাধ্যবাধকতা রয়েছে। স্পিকার দেশে উপস্থিত না থাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি স্থগিত ছিল। এখন স্পিকারের প্রত্যাবর্তনের ফলে বঙ্গভবন পদত্যাগপত্র হস্তান্তরের নতুন সময় ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ী বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


