নতুন অস্ত্র দিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক ও অপমানজনক পরাজয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হলে ইরানের প্রতিরক্ষামূলক ও পাল্টা আক্রমণাত্মক অভিযানে ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ আনা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

বাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি স্থানীয় গণমাধ্যমে বলেছেন, “এসব পরিবর্তনের মধ্যে আছে যুদ্ধের ভৌগলিক অবস্থান বদল এবং অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে পরিবর্তন। আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে হাজির হব, যা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে।"

তিনি আরও বলেন, “আমাদের হামলার নিশানা এখন আর আগের নিশানাগুলোর মতো নাও হতে পারে। আমাদের এমন সব নতুন নিশানা আছে যেগুলোতে এখনও আঘাত হানা হয়নি।”

মোহেব্বি দাবি করেন, “চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়েছে। তাদের ঐতিহাসিক ও অপমানজনক পরাজয় হয়েছে।” তবে এই পরাজয় স্বীকার করার সাহস যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেও সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের প্রসঙ্গে মোহেব্বি যে ইঙ্গিতগুলো দিয়েছেন, তার মধ্যে একটি হল হরমুজ প্রণালি টানা বন্ধ থাকা। আল-জাজিরার তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব সক্ষমতা বা শক্তি নিয়োগ করেও জলপথটি পুনরায় খুলতে পারেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন। মোহেব্বি আরও দাবি করেন যে, ওই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বোঝায় পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার জন্য করা বিনিয়োগ ইরানের আক্রমণের শিকার হওয়ার পর উল্টো নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চল ও উত্তর ইরাকের কাছে মার্কিন গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেন মোহেব্বি।

এসব হামলা প্রমাণ করেছে যে, স্থাপনাগুলো ইরানের নাগালের মধ্যেই ছিল এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় এক ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হয়েছে।

অপ্রতিম হত্যা: এমন নির্মম সমাজ ও সংবাদমাধ্যম কীভাবে আমাদের হলো?

মরিয়ম মরিয়া প্রমাণ করিল, কিছু প্রশ্ন ফিরে ফিরে আসে

স্মৃতি হারানো মানেই কি বয়সের স্বাভাবিক পরিণতি?

জিন্নাহপ্রীতি–৩: কারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ‘বাই-প্রোডাক্ট’ দেখাতে চায়?

আন্তর্জাতিক