বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে ‘বঙ্গসেনা’ নামে একটি সংগঠন। আজ শনিবার শিয়ালদহ স্টেশন থেকে মিছিল নিয়ে উপহাইকমিশনের দিকে যাওয়ার পথে পার্ক সার্কাস এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। মিছিলটিতে সংগঠনটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন। তাদের মধ্যে গেরুয়া পোশাকের লোকজনও ছিলেন। স্লোগান দিতে দিতে তারা বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে এগিয়ে যান। তবে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তায় আগে থেকেই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। উপহাইকমিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে দুই দফা ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সামান্য বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান তারা। বিক্ষোভের কারণে পার্ক সার্কাস ও আশপাশের এলাকায় কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। উপহাইকমিশন বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীরা স্মারকলিপি জমা দিতে পারেননি। সংগঠনটির নেতা সুভাষ মজুমদার দাবি করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর প্রতিদিন নির্যাতন চলছে। অনেকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, বাংলাদেশে এখনো যারা বসবাস করছেন, তাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এ পরিস্থিতির কথা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরতেই তাদের এই কর্মসূচি। চলতি অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে এটি দ্বিতীয় বিক্ষোভ কর্মসূচি। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা একই ধরনের দাবিতে মিছিল করে। সেদিনও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। তবে পাঁচজন প্রতিনিধি উপহাইকমিশনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।

