জাতীয় ডেস্ক
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তাঁর কার্যালয়ে কোস্টগার্ড মহাপরিচালক মো: জিয়াউল হক এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সমুদ্র নিরাপত্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দেশসেবামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে নিবেদিত তাদের প্রচেষ্টা প্রশংসা করেন। বিশেষ করে তিনি সমুদ্র উপকূল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
উভয়পক্ষ কোস্টগার্ডের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উপরও বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।
সাক্ষাৎকালে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও নৌপথ নিরাপত্তা, জলসীমা রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবেলায় কোস্টগার্ডের অবদান ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলদস্যুতা ও অবৈধ মাছ ধরা প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকারের সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছে।
কোস্টগার্ড মহাপরিচালক মো: জিয়াউল হক প্রধানমন্ত্রীকে দেশের নৌসীমা ও উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাস্তবায়িত পরিকল্পনা, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোস্টগার্ডের প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে উপকূলীয় সম্প্রদায়গুলোর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই সাক্ষাৎ দেশের নৌসীমা ও উপকূলীয় নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের দায়িত্ববোধ ও জনসেবা কার্যক্রমের ওপর সরকারি সমর্থন দৃঢ় করার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। এর ফলে দুর্যোগকালীন সেবা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং সীমান্ত সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সাক্ষাৎ শেষে উভয়পক্ষ ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে নৌসীমা সুরক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং উপকূলীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।


