রাজনীতি ডেস্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থোপার্জন করছেন। তিনি বিশেষ করে ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড পেজের মাধ্যমে নিয়মিত পোস্ট, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন এবং সেখান থেকে আয় করেন।
হাসনাতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রায় ৪.৯ মিলিয়ন বা ৪৯ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। পেজের বিভিন্ন কনটেন্ট যেমন ভিডিও, ছবি ও মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি দর্শকের সঙ্গে নিয়মিত সংযোগ স্থাপন করেন। এর পাশাপাশি, তিনি ফেসবুকের মনিটাইজেশন সুবিধার মাধ্যমে অর্থও উপার্জন করছেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ তথ্য দিয়েছেন যে, তার একটি ভিডিওতে ১৭ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে, যা থেকে তিনি ৪০ মার্কিন ডলার উপার্জন করেছেন। সর্বশেষ দুই দিনে তার আয় হয়েছে ১২০ মার্কিন ডলার। এর আগে গত মাসে তিনি ৩,৩৯৯ মার্কিন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। তার মাসিক আয় প্রায় ৪ লাখ টাকার বেশি এবং এটি বাৎসরিক হিসাবে প্রায় ৪৫ লাখ টাকার সমান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক নেতা ও জনসাধারণের কাছে পরিচিত ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকলে তা থেকে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। হাসনাত আবদুল্লাহ এই ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মনিটাইজেশন ব্যবস্থাকে একটি উল্লেখযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহার করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজনীতিবিদদের আয় এবং এর পরিধি সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমবর্ধমান হচ্ছে। এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক ক্ষমতা বাড়ায় না, বরং তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক উপস্থিতিকেও প্রসারিত করে। হাসনাত আবদুল্লাহর উদাহরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সম্ভাবনা ও রাজনীতিকদের এতে অংশগ্রহণের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।


