আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: সমবায় প্রতিমন্ত্রী

আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: সমবায় প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

স্বৈরাচারী শাসন কায়েমকারী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর পুনর্বাসিত হতে দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তার বক্তব্যে দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে বগুড়া অঞ্চল রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার যখন এই অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য নানামুখী বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, ঠিক তখনই একটি মহল দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটির সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতার বিষয়ে ইঙ্গিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পতিত এই রাজনৈতিক শক্তি আগামী ২৩ জুন নিজেদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অজুহাতে পুনরায় মাঠে নেমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি না, সেদিকে সবাইকে গভীর নজর ও তীক্ষ্ণ খেয়াল রাখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা রুখে দিতে এবং আওয়ামী লীগের যেকোনো ধরনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

বক্তব্যের শেষ অংশে প্রতিমন্ত্রী বগুড়া অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়ে জানান, বর্তমান ৬ তলা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহকারে ৮ তলায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি হাসপাতালের সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে পার্শ্ববর্তী বহুতল ভবনটি দ্রুত অধিগ্রহণ করে চিকিৎসাকাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের শিশু স্বাস্থ্যসেবায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ