জাতীয় ডেস্ক
পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ১৬৪টি ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ শেষে নির্বিঘ্নে হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ বিমানসহ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী ৩০ জুন এই ফিরতি হজ ফ্লাইট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৯ consol৪৬৪ জন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে এয়ারলাইনসগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চলতি বছর সৌদি আরবে হজ পালনের সময় এবং পরবর্তীতে এখন পর্যন্ত মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি হাজি ইন্তেকাল করেছেন। এর মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। স্থানভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, পবিত্র মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। সৌদির স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী মৃতদের সেখানেই দাফন করা হচ্ছে।
ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি যাত্রী বহন করেছে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি মোট ৮৪টি ফ্লাইটের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬৩৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস ৫৮টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৩০০ জন, ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ Bact১৭৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব গিয়েছিলেন। ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়।
হাজিদের সার্বিক সহায়তায় সৌদি আরবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ও আইটি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মক্কা ও মদিনার বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৭৪৫টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে হাজিদের নানা জটিলতা নিরসনে ২৮ হাজার ২৯৮টি সেবা প্রদান করা হয়েছে। বাকি হজযাত্রীদের যথাসময়ে দেশে ফেরাতে সব ধরনের প্রস্তুতি বজায় রেখেছে ঢাকা ও জেদ্দা কর্তৃপক্ষ।


