ব্রিটেনের দীর্ঘ সময় রাজত্ব করেছেন ৯৬ বছর বয়সী রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। বৃহস্পতিবার রানির মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে তার ৭০ বছরের রাজত্বের অবসান ঘটলো। তার মৃত্যুকে ঘিরে ‘অপারেশন লন্ডন ব্রিজ’ নামে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। রানির শেষকৃত্যের জন্য ১০ দিনের যেসব আনুষ্ঠানিকতা আছে, সেটাই অপারেশন লন্ডন ব্রিজ।
প্রথমদিন রাজকীয় বাসভবন, হোয়াইট হল এবং অন্যান্য সরকারি ভবনের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে, রাজপরিবারের ওয়েবসাইটটি রানির মৃত্যুর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিসহ একটি কালো পৃষ্ঠায় পরিবর্তিত হবে। সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতেও কালো ব্যানার যুক্ত করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে বিবৃতি দেবেন।
দ্বিতীয় দিন রানির কফিন বাকিংহাম প্যালেসে আনার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিন সকালে তার ছেলে ও ব্রিটেনের পরবর্তী নতুন রাজা কিংস চালর্স ওয়েস্টমিনিস্টার হলে শেষকৃত্য আয়োজনে অংশ নেবেন। এরপর বিকেলে ব্রিটেনের চারটি জায়গায় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাবেন তিনি। চতুর্থ দিন রয়্যাল মাইল বরাবর হলিরুড থেকে সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রাল পর্যন্ত রাজপরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি আনুষ্ঠানিক শোকযাত্রা হবে।
সেই অনুষ্ঠানের পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রাল উন্মুক্ত করা হবে। আর রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানো হবে লন্ডনে। পঞ্চম দিন রাজা চার্লস উত্তর আয়ারল্যান্ডে যাবেন, সেখানে হিলসবরো ক্যাসেলে তাকে সমবেদনা জানানো হবে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জন্য প্রার্থনার জন্য বেলফাস্টের সেন্ট অ্যান’স ক্যাথেড্রালে যোগ দেবেন চার্লস। ষষ্ঠ থেকে নবম দিন পর্যন্ত বাকিংহাম প্যালেসে প্রতিদিনই ২৩ ঘণ্টা রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্ব সাধারণের জন্য খোলা থাকবে। দশম দিনে রানির ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে তার শেষকৃত্যের শেষ আয়োজন হবে। একই সাথে দেশব্যাপী রানির জন্য দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। যদিও সব কিছু পূর্ব পরিকল্পনা। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।


