জাতীয় ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরের সার্বিক প্রস্তুতি এবং দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ঢাকা ও দিল্লি যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। দুই দেশের পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে এ সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সোমবার সকালে মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম এবং সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন অগ্রাধিকার নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারসাম্য রক্ষা করাই তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। যেকোনো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা হবে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে কৌশলগত পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চলমান বাস্তবতায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিদ্যমান বহুমাত্রিক সম্পর্ককে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
অর্থনৈতিক ও কৌশলগত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনা সক্রিয়ভাবে চলমান রয়েছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিকে মন্ত্রণালয় অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।


