প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা নির্বাহী চেয়ারম্যানের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা নির্বাহী চেয়ারম্যানের বৈঠক

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন আজ সোমবার (৮ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎটি ২০২৬ সালের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের শিল্পায়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বৈঠকে বেপজা চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীকে দেশের আটটি ইপিজেডের সামগ্রিক কার্যক্রম, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তিনি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক রূপকল্প বাস্তবায়নে বেপজার ভূমিকা এবং সরকারের শিল্পনীতি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে সংস্থার অবদান তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকালে ইপিজেডগুলোতে চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। বেপজা নির্বাহী চেয়ারম্যান বিভিন্ন শিল্পে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রণীত প্রণোদনা ও নীতি সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের উচ্চস্তরের বৈঠক সরকারের শিল্পায়ন নীতি বাস্তবায়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। এতে ইপিজেডগুলোর কার্যক্রম আরও দক্ষ এবং বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশে পরিচালনার সুযোগ বৃদ্ধি পায়।

বেপজার আওতায় থাকা প্রতিটি ইপিজেডে বর্তমানে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতি ও প্রণোদনা সহজীকরণ এবং আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ এই আলোচনা দেশের শিল্পায়ন নীতি ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন। বিশেষত, এই বৈঠকের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বেপজার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশকে আরও প্রগতিশীল এবং বিনিয়োগ বান্ধব করে তোলার একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এটি সরকারের শিল্পায়ন নীতি বাস্তবায়নে উচ্চস্তরের সমন্বয় এবং নীতি নির্দেশনার গুরুত্বকেও প্রমাণ করে।

অর্থ বাণিজ্য শীর্ষ সংবাদ