জাতীয় ডেস্ক
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। অন্যান্য দিনের মতো গাড়ি থেকে সরাসরি নিজ দফতরে না গিয়ে তিনি 이날 সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে যান এবং সেখানে অবস্থানরত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি নিজের দফতরে ফিরে বসেন।
সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সকালেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক, স্বাস্থ্য এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। এই সময় তার সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণিসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী আসার আগে অনেকেই তার আগমন অপ্রত্যাশিতভাবে পান, যা সকালবেলায় কর্মকর্তাদের মধ্যে অভূতপূর্ব চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। মন্ত্রণালয়গুলোতে তিনি প্রকল্প ও কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে তদারকি করেন।
এছাড়া, সরকারি নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি খতিয়ে দেখেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তিনি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তিনি নারীদের কল্যাণ, শিশু সুরক্ষা ও সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সরকারের বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পের অগ্রগতি ও সময়সীমা নিশ্চিতকরণের জন্য তিনি তদারকি করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শন সচিবালয়ে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দ্রুতগতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়মিত এমন তদারকি কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে এবং সরকারি প্রকল্পগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে।
সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র আরও জানায়, পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত কর্মকর্তারা বিস্তারিত বর্ণনা ও প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যা সরকারের নীতি নির্ধারণ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।


