ধর্ম ডেস্ক
সৌদি আরবে পবিত্র হজব্রত পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ২৭ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন। এর মধ্যে ১৮ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে মক্কা আল-মুকাররমায় ১৮ জন এবং মদিনা মুনাওয়ারায় ৯ জন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ রবিবার (২৪ মে) এয়ারলাইন্স, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং সৌদি আরবের বাংলাদেশ হজ অফিস সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বাংলাদেশ হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৭৯ হাজার ১৬৪ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী ও হজের বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা দলের সদস্য সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। মোট হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গিয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৪ জন এবং বেসরকারি এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় গিয়েছেন ৭৩ হাজার ৯২৬ জন। এছাড়া হজ এজেন্সি, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী টিমের ব্যবস্থাপনা সদস্য হিসেবে গমন করেছেন ৭৭৪ জন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের পরিবহনে সর্বমোট ২০১টি ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সর্বোচ্চ ৯৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এছাড়া সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদি এয়ারলাইন্স ৭৩টি এবং সেদেশের বাজেট এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।
ফ্লাইট ও যাত্রী পরিবহনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়েছেন ৩৮ হাজার ৭০২ জন হজযাত্রী। অপরদিকে সৌদি এয়ারলাইন্সে ২৭ হাজার ৩৪০ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ১২styles১৫৭ জন হজযাত্রী পবিত্র ভূমিতে পৌঁছেছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ২৬ মে চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ১৮ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ফিরতি বা বিদায়ী ফ্লাইটটি ঢাকা ত্যাগ করে গত ২১ মে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশী হজ মিশনের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তীব্র গরম ও বার্ধক্যজনিত কারণে সাধারণত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। মৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী সৌদি আরবেই দাফন সম্পন্ন করা হচ্ছে।


