আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে আগত কোটি মানুষের আবাসন ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার। বিশাল এই জনসমাগম সামাল দিতে রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শ্রেণিকক্ষ সাময়িকভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
দেশের শিক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, শেষকৃত্যে অংশ নিতে আসা শোকাহত মানুষ ও তীর্থযাত্রীদের অস্থায়ী আবাসন হিসেবে এসব স্কুল ব্যবহার করা হবে। সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিকদের পাশাপাশি বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ এক কোটিরও বেশি মানুষের সমাগম ঘটতে পারে।
এত বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমনকে কেন্দ্র করে আবাসন ছাড়াও খাবার, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সরকার।
বিশ্লেষকদের মতে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এই শেষকৃত্যানুষ্ঠান ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় সমাবেশ হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রতিনিধি এবং বিপুল অভ্যন্তরীণ জনস্রোতের এই উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও ইরানের অভ্যন্তরীণ সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


