জাতীয় ডেস্ক
আইনগত সংস্কারের মাধ্যমে পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাংগঠনিক কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বাহিনীটির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়নসহ এর নাম পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, পূর্বতন সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় র্যাব যেভাবে পরিচালিত হতো, আগামীতে তা আর থাকছে না। এতদিন পর্যন্ত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের একটি বিশেষ ধারার অধীনে র্যাব তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এই আইনি সীমাবদ্ধতা দূর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নতুন এই আইনের আওতায় বাহিনীর সার্বিক কার্যপরিধি, ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা সুনির্দিষ্ট ও সুসংজ্ঞায়িত করা হবে।
র্যাব বিলুপ্তির বিষয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ব দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের এই পদক্ষেপকে একটি কাঠামোগত রূপান্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নতুন আইন প্রণয়ন এবং নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে বাহিনীটিকে আরও বেশি জনবান্ধব ও জবাবদিহিতামূলক সংস্থায় পরিণত করার চেষ্টা চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খসড়া আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তা পাসের জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমেই বাহিনীর নতুন নামকরণ এবং আইনি কাঠামোর আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন ঘটবে।


