খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বই দেশকে টিকিয়ে রেখেছে: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বই দেশকে টিকিয়ে রেখেছে: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

জাতীয় ডেস্ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ সংকট উত্তরণে সক্ষম হয়েছে। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির উদ্যোগে আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হয়েছে। রাজনীতিতে কঠিন সময় আসলেও যারা সেই চাপ সহ্য করতে পারেন এবং নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যেও টিকে থাকতে পারেন, তারাই জনগণের প্রকৃত নেতা। বেগম খালেদা জিয়া সেই অর্থে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের সত্যিকারের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের তীব্র চাপ ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে অনেকে নতি স্বীকার করলেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো নিজের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি। তার এই আপসহীন অবস্থানের কারণেই দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা রাজনৈতিক লড়াইয়ে শক্তভাবে টিকে থাকতে পেরেছিল। তার এই আপসহীন ভূমিকা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথকে সুগম করেছে এবং দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের পেছনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাকে ধ্বংস ও জীবননাশের অপচেষ্টা চালিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ষড়যন্ত্র পেরিয়ে তিনি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে নিজেকে টিকিয়ে রেখেছিলেন। জনগণের ভালোবাসা ও স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিতে তার অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন।
ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, দল ক্ষমতায় এসেছে বলেই সবকিছু সহজ হয়ে গেছে—এমন ধারণা পোষণ করার কোনো অবকাশ নেই। অতীতের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস মনে রেখে নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মত্যাগের সার্থকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ও দলের সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. আব্দুল মঈন খান। অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় শীর্ষ সংবাদ