রাজধানী ডেস্ক
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উত্তর মথুরাপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম (৪৬) এবং শরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলার কুয়ারপুর গ্রামের আব্দুল হকের মেয়ে নয়ন মনি (৪৬)। নয়ন মনি চা দোকানি আব্দুল হামিদের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের মা ছিলেন।
শ্যামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন জানান, রবিবার রাতের দিকে শ্যামপুর থানাধীন পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে আব্দুর রহিম রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। পথচারীরা দুর্ঘটনার খবর থানায় জানালে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৩টায় তিনি মারা যান।
একই দিনে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় মুগদা থানাধীন মুগদা হাসপাতালের পাশে আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। গার্মেন্টসকর্মী নয়ন মনি স্টাফ বাসে চড়ে মুগদা হাসপাতালের সামনে নেমে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বামী আব্দুল হামিদ জানান, তার স্ত্রী ওই এলাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন এবং বাসে করে গার্মেন্টস থেকে ফেরার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তারেক দিপু খবর পেয়ে নয়ন মনির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠান। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে তার পরিবার মরদেহ গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাস ও চালককে আটক করে থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে।
উভয় দুর্ঘটনার ঘটনায় থানার পুলিশ ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাব্য দিকগুলো পরীক্ষা করছে। নিহতদের পরিবারগুলোর জন্য মানসিক এবং সামাজিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।


