জাতীয় ডেস্ক
গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা আগামী ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর মাধ্যমে ‘সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবস্থাপনা’ শিখতে যাচ্ছেন। এ সফর সরকারের ২০১৯ সালের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ‘হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিং’ প্রোগ্রামের অংশ। সফরের সব খরচ বহন করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং প্রতিষ্ঠান ডানহাম-বুশ।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি এই সফরে অংশ নেবেন।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এই প্রশিক্ষণ মূলত সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন এবং মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত। সফরের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, সফরের মূল লক্ষ্য হলো পূর্ণাঙ্গ এইচভিএসি সিস্টেম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, “নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করা হবে। আমরা সরাসরি এইচভিএসি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকব। তাই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সরকার দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ওই প্রকল্পের অংশ হিসেবে এইচভিএসি সিস্টেমের কার্যকর পরিচালনা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।
সফরের জন্য অনুমোদন কয়েকবার পরিবর্তিত হয়। প্রথমে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে এবং পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত অনুমোদন থাকলেও সফর হয়নি। সর্বশেষ ৪ মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে নতুন অনুমোদন দেওয়া হয়, যার মধ্যে সফরের চূড়ান্ত সময়সীমা ১৫ থেকে ১৯ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মকর্তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে দেশে এইচভিএসি সিস্টেমের মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তথ্য সূত্র: কালবেলা


