অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনযাত্রার মান এবং সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সীমিত সম্পদের মধ্যেও কাউকে এই বাজেটের বাইরে রাখা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগদানের পূর্বে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। দেশে চলমান মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয়টিকে বাজেটে কীভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে—জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বস্তরের মানুষের সুখ-দুঃখের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করা হতে পারে। এবারের বাজেটে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহিত করতে ব্যাপক করছাড় ও ভ্যাট অব্যাহতির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, অপরদিকে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে বেশ কিছু আমদানিনির্ভর ও বিলাসী পণ্যের ওপর শুল্ক-কর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর ফলে নতুন অর্থবছরে বাজারে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন করনীতির মূল লক্ষ্য দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো, স্থানীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কয়েকটি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক, ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ বা বিদ্যমান করহার বাড়ানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখার অংশ হিসেবে এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।


