জ্বালানি সংকটে দেশের ব্যবসা বিনিয়োগে অশনিসংকেত দেখা দিয়েছে। শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত ও এর সহযোগী শিল্পগুলো গভীর সংকটে পড়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুতের অভাবে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বিদেশি ক্রেতারা আস্থা হারাচ্ছেন। নানা সমস্যায় তারা এখন বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশের দিকে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে পোশাক রপ্তানি কমেছে টানা ৮ মাস। আগামী দিনেও কমার আশঙ্কা রয়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে ছোট ও মাঝারি কারখানা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উৎপাদন যেখানে ঘণ্টার হিসেবে হয় সেখানে কারখানাগুলোতে প্রতিদিন ৩ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং থাকে। এতে ব্যবসার খরচ বাড়ছে। খরচ বাড়ায় ক্রয়াদেশ কমছে। শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি আমদানিতে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সরকার বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামতে পারে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলো বিলীন হওয়ার পথে। কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং রপ্তানি সচল রাখতে সরকারকে এখনই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। বায়ারদের আস্থা ফেরাতে এবং উৎপাদন সচল রাখতে সরকারকে শিল্প এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়ে একটি দৃঢ় বার্তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।বিস্তারিত


