এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: আজ দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: আজ দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে

শিক্ষা ডেস্ক

সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় সারাদেশে সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা চলাকালীন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা অথবা ঢাকার বাইরের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করতে পারেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল পরীক্ষার প্রথম দিনে মন্ত্রী সাভার ও মানিকগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছিলেন।

পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্র পরিচিতি আজকের পরীক্ষায় দেশের ২ হাজার ৪৯০টি কেন্দ্রে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষায় ৭১২টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল স্তরে ইংরেজি-২ পরীক্ষায় ৬৫৩টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।

নিরাপত্তা ও নিয়মাবলি শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নিয়মাবলি জারি করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সুবিধার্থে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে গেট উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। তবে নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সকল পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর অর্থাৎ ১০টার পর কোনো অবস্থাতেই পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

প্রথম দিনের চিত্র ও কঠোর অবস্থান গত ২১ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দিনের পরীক্ষায় সারাদেশে ২৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ছয়জন শিক্ষার্থী এবং দায়িত্ব অবহেলার কারণে একজন কেন্দ্র পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস রোধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরণের গুজব ছড়ানো বন্ধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে। ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতি কিংবা কেন্দ্রে নকল সরবরাহ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় রয়েছে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কারো হাতে মোবাইল ফোন বা নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রথম দিনের মতো আজকেও কঠোর নিরাপত্তা ও কড়াকড়ির মধ্য দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এবারের পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ