জাতীয় ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দরিদ্র, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। সমাজের পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার লালিয়ারহাট এলাকায় এই অর্থ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঈদ আনন্দ, ত্যাগ ও সম্প্রীতির উৎসব। এই আনন্দের সুফল যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো মানুষ যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে এই বিশেষ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের একাংশের প্রচেষ্টার পাশাপাশি সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ঈদের এই আবহে সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম জি কিবরিয়ার সঞ্চালনায় এই বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্তরের সমাজসেবকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ওই এলাকার শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়েপড়া মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উৎসবের প্রাক্কালে সরকারের এই ধরনের প্রান্তিক সহায়তা নিম্ন আয়ের মানুষের ঈদ উদযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এবং উৎসবকালীন সময়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর জরুরি চাহিদা মেটাতে এ ধরনের নগদ অর্থ সহায়তা অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। উপস্থিত উপকারভোগীরা সরকারের এই উদ্যোগের প্রতি সাধুবাদ জানান এবং টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বজায় রাখার তাগিদ দেন।


