জাতীয় ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া ও চীন সফরকালে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) এবং একটি প্রটোকল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আগামী ২২ থেকে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই সফরের মাধ্যমে এশিয়ার অন্যতম প্রধান দুই অর্থনৈতিক অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি ও কৃষি খাতে বড় ধরনের সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাজার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী, আর মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের প্রধান শ্রমবাজারগুলোর একটি। এই দুই দেশের সঙ্গে নতুন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম দ্বিপাক্ষিক এই সফর সফল করতে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি ও বিভিন্ন এজেন্ডা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। সরকার এই সফরের মাধ্যমে বন্ধুভাবাপন্ন দেশ দুটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আশাবাদী।


