যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় দলের গোলরক্ষক জিয়াউর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় দলের গোলরক্ষক জিয়াউর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ক্রীড়া ডেস্ক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাগেরহাট সফরকালে জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক শেখ জিয়াউর রহমান (জিয়া) এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া উন্নয়ন এবং স্থানীয় ফুটবল সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী এই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে প্রধান গুরুত্ব পায়।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মুলঘর ইউনিয়নের ফলতিতা এলাকায় এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সফরকালে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সাক্ষাৎকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক শেখ জিয়াউর রহমানের খেলোয়াড় জীবনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়রাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। সরকার দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়ন, তৃণমূল থেকে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ এবং জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খেলার মাঠের আধুনিকায়ন এবং ক্রীড়া সামগ্রীর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।

জাতীয় দলের গোলরক্ষক শেখ জিয়াউর রহমান প্রতিমন্ত্রীর এই মূল্যায়নের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশের ফুটবলের মানোন্নয়নে মাঠপর্যায়ে সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধির তাগিদ দেন। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে জেলা ভিত্তিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং নিয়মিত দীর্ঘমেয়াদি লিগ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ফকিরহাট ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্রীড়া উন্নয়ন, স্থানীয় স্টেডিয়ামের সংস্কার এবং তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করার জন্য বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। উপস্থিত স্থানীয় প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রীর কাছে এলাকার ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ জানান।

সাক্ষাৎকালে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ব্যক্তিত্ব শেখ শরিফুল কামাল, নোমান আল-মেহেদী, লিয়াকত হোসেন এবং ফকির শহীদুল আলমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই মাঠপর্যায়ের সফর এবং জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ দেশের ক্রীড়া প্রশাসন ও মাঠের পারফরম্যান্সের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে মফস্বল অঞ্চলের উদীয়মান ফুটবলাররা এর মাধ্যমে নতুন করে অনুপ্রাণিত হবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

খেলাধূলা শীর্ষ সংবাদ