শিক্ষা ও ক্যাম্পাস ডেস্ক
গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে আগামী ১২ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ জুলাই রবিবার থেকে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসসহ সব আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রশাসনিক অফিসসমূহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ছুটির এই সিদ্ধান্তটি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় বাস্তবায়নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১২ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ৫ দিন গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকলেও এর সঙ্গে সরকারি সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এই ছুটির মেয়াদ কার্যত দীর্ঘ হচ্ছে। আগামী ১০ ও ১১ জুলাই (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি এবং ছুটি শেষে ১৭ ও ১৮ জুলাই (শুক্রবার ও শনিবার) পুনরায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাঝের ৫ দিনের গ্রীষ্মকালীন ছুটিসহ সর্বমোট ৯ দিনের একটি দীর্ঘ বিরতি তৈরি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে। ফলে আগামী ১০ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত টানা ৯ দিন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ দাপ্তরিক কাজ স্থগিত থাকবে এবং আগামী ১৯ জুলাই রবিবার থেকে পুনরায় যথারীতি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড শুরু হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘোষিত এই ছুটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাপ্তরিক কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য হবে। অধিভুক্ত কলেজসমূহের চলমান বা আসন্ন একাডেমিক কার্যক্রম, ক্লাস কিংবা পরীক্ষাসংক্রান্ত সূচির ক্ষেত্রে এই ছুটির কোনো সরাসরি প্রভাব পড়বে না। পরীক্ষা বা অন্যান্য একাডেমিক বিষয়ে পূর্বনির্ধারিত বা পৃথক কোনো বিশেষ নির্দেশনা থাকলে তা যথানিয়মে ও স্বকীয় সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গাজীপুরের মূল ক্যাম্পাস ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে, যেখান থেকে সারা দেশের হাজার হাজার অধিভুক্ত কলেজের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ সমন্বয় করা হয়। দীর্ঘ এই ছুটির কারণে দাপ্তরিক সনাতন সেবা সাময়িক বিলম্বিত হতে পারে বিধায় ডিজিটাল সেবা সচল রাখার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে। টানা ছুটির এই সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অংশীজনদের জরুরি দাপ্তরিক কাজের জন্য আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


