আন্তর্জাতিক ডেস্ক
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে ইরানের অভ্যন্তরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক জলপথে বেসামরিক জাহাজে হামলার সুনির্দিষ্ট জবাব হিসেবে উল্লেখ করেছে। অপরদিকে, মার্কিন এ পদক্ষেপকে সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে ৬টি, সিরিক বন্দরে ৭টি এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। মার্কিন সেন্টকম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে অবৈধ আক্রমণের জন্য তেহরানকে ‘চড়া মূল্য’ দিতেই এই ধারাবাহিক শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ওমান উপকূলের কাছে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানায়, একটি ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তু ও অন্য দুটিতে ড্রোন আঘাত হানে। ওমান তাদের উপকূল ঘেঁষে জাহাজ চলাচলের সাময়িক নিরাপদ পথ তৈরির প্রস্তাব দিলে ইরান তার বিরোধিতা করে, কারণ তেহরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর মাশুল আরোপ করতে চায়। এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলের ওপর দেওয়া সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছাড় বাতিল করার পর এই সামরিক সংঘাত তৈরি হলো।


