ক্রীড়া ডেস্ক
সুপার এইট পর্বের ম্যাচে ভারতের জন্য হতাশাজনক ফলাফল দেখা গেছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের দল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের ব্যবধানে হেরে টানা ১২ ম্যাচের জয়যাত্রা থেমে গেল। ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত পারফরম্যান্স দেখা যায়নি।
ম্যাচের পর দলের একাদশ নির্বাচন এবং কৌশল নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সহকারী কোচ রায়ান টেস ডোশাট মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে অক্ষর প্যাটেলকে বাইরে রেখে ওয়াশিংটন সুন্দরকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়। রায়ান টেন ডুশাট জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং শক্তি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কুইন্টন ডি কক, রায়ান রিকেলটন এবং ডেভিড মিলারকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে ধরা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে পাওয়ারপ্লেতে কার্যকর বোলিং অপশন প্রয়োজন ছিল এবং দল মনে করেছিল ওয়াশিংটন সুন্দর সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সক্ষম।
তবে মাঠের বাস্তব চিত্র ভিন্ন প্রমাণিত হয়। ওয়াশিংটন সুন্দর ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেননি। স্পিন বোলিং বিভাগও কার্যকরী হতে পারেনি; বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে মাত্র একটি উইকেট নিয়েছিলেন। ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরু থেকেই খাতায় কলমে চাপের মুখে পড়ে। পাওয়ারপ্লের শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৩১ রান, যেখানে ঈশান কিশান শূন্য এবং তিলক ভার্মা মাত্র ১ রানে আউট হন।
মাঝে শিবম দুবের ৩৭ বলে ৪২ রানের ইনিংস দলকে কিছুটা সামলাতে চেষ্টা করলেও অপর প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় ভারত বড় ব্যবধানের হারে জয় বাঁচাতে পারেনি। এই ফলাফলের ফলে ভারতের দলকে পরবর্তী ম্যাচে দলগত ও কৌশলগত পুনর্মূল্যায়ন করতে হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাটিং লাইনে সমন্বয় এবং পাওয়ারপ্লে বোলিং অপশন শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ক্ষমতা ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং স্ট্র্যাটেজি ভারতের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে রইল।


