রাজনীতি ডেস্ক
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ ইব্রাহীমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সিনিয়র সহকারী সচিব গোলাম মোরশেদের স্বাক্ষরে জারি করা এ আদেশ অনুযায়ী মুহাম্মদ ইব্রাহীমকে উপসচিব পদমর্যাদায় ডা. মো. শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
একান্ত সচিব পদটি সাধারণত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ পদে নিয়োজিত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দাপ্তরিক সময়সূচি সমন্বয়, নথিপত্র ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে থাকেন। ফলে এই পদে অভিজ্ঞ ও প্রশাসনিক দক্ষতাসম্পন্ন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে।
মুহাম্মদ ইব্রাহীম এর আগে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রশাসনিক কাজে তার অভিজ্ঞতা এবং দাপ্তরিক দক্ষতার ভিত্তিতে তাকে এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে এ ধরনের পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, কাজের দক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের জন্য এ ধরনের নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার দপ্তরে কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে একান্ত সচিবের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই পদে নিয়োজিত কর্মকর্তা সংসদীয় কার্যক্রম, রাজনৈতিক দপ্তরের দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করে থাকেন।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়োগ জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর ফলে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মুহাম্মদ ইব্রাহীম নতুন পদে তার কার্যক্রম শুরু করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, এ ধরনের নিয়োগ সরকারি কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের দাপ্তরিক কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এটি প্রশাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়।


