শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা

শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা

ফুটবল মাঠে আমরা যে জার্সিটা দেখি সেটা শুধু একটি দেশের পরিচয় বহন করে না, অনেক সময় তার ভাঁজে লুকিয়ে থাকে বহু প্রজন্মের অভিবাসন, বাস্তুচ্যুতি, সংগ্রাম আর নতুন শিকড় গড়ার গল্প। একেকটি গোল, একেকটি দৌড় কিংবা বিজয়ের উল্লাসের পেছনে জড়িয়ে থাকে সীমান্ত পেরোনো অসংখ্য পরিবারের ইতিহাস। আধুনিক বিশ্বকাপ তাই এখন শুধু ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই নয়; এটি বৈশ্বিক অভিবাসনের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, যেখানে জন্মভূমি, বংশপরিচয় ও আত্মপরিচয়ের গল্প মিলেমিশে তৈরি এক বিশ্বমানচিত্র …

১৮৮৩ সালে ইতালি থেকে আসা এক বিশাল অভিবাসী স্রোতের সঙ্গে ভেসে অ্যাঞ্জেলো এবং তাঁর স্ত্রী রোসা আর্জেন্টিনায় এসে পৌঁছান। দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অতিরিক্ত জনসংখ্যার হাত থেকে বাঁচতে এ দম্পতি নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়েছিলেন। তাঁরা রোজারিওতে বসতি স্থাপন করেন এবং আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাননি। চার প্রজন্ম পর তাঁদের এ পরিবারই বিশ্বকে উপহার দেয় লিওনেল আন্দ্রেস মেসিকে, যিনি বিশ্বের দেখা অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার।

মেসি একাই নন। আর্জেন্টিনার স্কোয়াডের আরও পাঁচজন খেলোয়াড় তাঁদের ইতালীয় বংশোদ্ভূত সূত্রের সন্ধান পান। তাঁদের মধ্যে তিনজন হলেন হুলিয়ান আলভারেজ, রদ্রিগো ডি পল এবং জিওভানি লো সেলসো। এমনকি ইতালীয় পাসপোর্টও বহন করেন তাঁরা। আর্জেন্টিনার এ গল্পটি মোটেও ব্যতিক্রমী কিছু নয়। সিডনিভিত্তিক থিংক ট্যাংক ‘ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস’-এর মতে, এ বিশ্বকাপের প্রায় ২৩ শতাংশ খেলোয়াড় বিদেশি ঐতিহ্যের (ফরেন হ্যারিটেজ) অধিকারী। এর অর্থ হলো, ২৭৭ জন খেলোয়াড়ের এমন বংশপরিচয় রয়েছে যা তাঁদের বর্তমান প্রতিনিধিত্বকারী দেশ ছাড়া অন্তত অন্য একটি দেশের সঙ্গে যুক্ত করে। অনেক খেলোয়াড়ের শিকড় তো আবার একাধিক দেশের সীমানাজুড়ে বিস্তৃত।বিস্তারিত

খেলাধূলা শীর্ষ সংবাদ