২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে সার খাতে মোট ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। এর বড় একটি অংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে আমদানির জন্য। কিন্তু পরে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) দপ্তরের নিরীক্ষায় ধরা পড়ে, ওই বছর শুধু সার পরিবহনকারী ঠিকাদারদের মাধ্যমেই বিসিআইসির প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকার সার আমদানিতে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।
এভাবে আত্মসাৎ-দুর্নীতির মাধ্যমে সার খাতে দেয়া ভর্তুকির বড় একটি অংশ চলে যায় মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। গত ছয় বছরে ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সার খাতে ভর্তুকি হিসেবে। বছর বছর ভর্তুকির পরিমাণ এ সুবিধার সবটা পৌঁছেনি কৃষকের কাছে। মাঝপথেই এর বড় একটি অংশ লুণ্ঠন করে নিয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইউরিয়া এবং নন-ইউরিয়া উভয় মিলিয়ে ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২-২৩ সাল পর্যন্ত ছয় অর্থবছরে সার খাতে মোট ভর্তুকি দেয়া হয়েছে ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭ হাজার ৪৭৩ কোটি, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭১৬ কোটি, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭ হাজার ৪২১ কোটি ও ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৯৪২ কোটি টাকার ভর্তুকি দেয়া হয়। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে ১৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। বিস্তারিত



