জাতীয় ডেস্ক
রাজধানীর ধানমন্ডির ১১/এ এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়, ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় মিছিলের চেষ্টা কালে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ধানমন্ডি ১১/এ এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের কারণে কোনো ব্যক্তি আহত হয়নি, তবে আশপাশে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এছাড়া, ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন একদল ব্যক্তিকে শনাক্ত করে পুলিশ। মিছিলের চেষ্টা কালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বিষয়ে পুলিশ পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাবে বলে জানান সহকারী পুলিশ কমিশনার।
তিনি আরও জানান, ধানমন্ডি এলাকায় সঠিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
এখন পর্যন্ত, ককটেল বিস্ফোরণ এবং মিছিলের চেষ্টা নিয়ে পুলিশ কোনো গ্রেপ্তার বা ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এসব ঘটনার পেছনে কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনা রাজধানীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার মতো সংস্থার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হতে পারে। মিছিলের চেষ্টা এবং এ ধরনের উসকানির ঘটনাগুলি রাজনৈতিক অস্থিরতা বা আইনগত সহিংসতার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। পুলিশ বাহিনী এর পেছনে যেকোনো উগ্রপন্থী বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে, যা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জনগণের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
তদন্তকারী সংস্থা এবং পুলিশ এ ঘটনার ব্যাপারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কিংবা অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পুলিশ সজাগ এবং প্রস্তুত রয়েছে।


