জাতীয় ডেস্ক
দেশের উত্তর, মধ্য এবং পূর্বাঞ্চলের ১০টি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের সই করা ওই পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়লেও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা এবং পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে এই আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নদীবন্দর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে জনজীবনে সাময়িক স্থবিরতা নামলেও কৃষি খাতে বিশেষ করে ধানের আবাদ ও তাপপ্রবাহ প্রশমনে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বজ্রপাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় খোলা স্থানে অবস্থান না করার জন্য জনসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।


