জাতীয় ডেস্ক
জেলা হাসপাতালগুলোকে আরও কার্যকর, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব সেবাকেন্দ্রে পরিণত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
শনিবার বিকালে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে আয়োজিত জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রাপ্যতা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। জরুরি বিভাগে দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। রোগীরা যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা পান, সে বিষয়ে সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
সভায় সহ-সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটি জেলার পাশাপাশি আশপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চিকিৎসাকেন্দ্র। জনবল ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে সরকার কাজ করছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিকতা ও মানবিকতার সঙ্গে সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণ যেন হয়রানিমুক্ত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পায়, সেটিই সরকারের অঙ্গীকার।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, ড্যাব-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ।


